এদেশের মুসলীম জনসংখ্যার এক বৃহৎ অংশের উপর যাকাত ফরয হয়েছে অনেক আগেই।
ইনারা মসজিদে ইফতার মাহফিলের ব্যাবস্থা করতে পারেন।
মাহফিলে হাজার হাজার টাকা দান করতে পারেন কিন্তু তাহারা ইসলামের মৌলিক বিষয় যাকাত সম্পর্কে উদাসীন।
ট্যাক্সের টাকা না দিলে চাকরী বাঁচে না বিধায় ট্যাক্সতো সময়মত আদায় করলাম।
আল্লাহর হুকুম কায়েমে সম্পদের সুষম বন্টনের জন্য আল্লাহর দেয়া বিধান অনুসারে আমার মালের গরীবের অংশটুকু না দিয়ে না বোঝার ভান করে থাকলে পার পাওয়া যাবে তো?
নিশ্চয়ই আল্লাহর পাকড়াও অনেক কঠিন।যদি বিশ্বাস করেন হালাল রিজিক ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত তাহলে আজকে হিসাব করে আপনার সম্পদের যতটুকু অংশ গরীবের হক তা তাদের মাঝে বন্টন করে দিন।
কারন যে সম্পদ আপনার জন্য হারাম তা আপনার স্ত্রী সন্তানের জন্যও হারাম।
এদেশের কোটি কোটি মানুষ কুরবানী দেয়। অথচ যাদের উপর কুরবানী ওয়াজিব, তাদের উপর যাকাতও ফরয।কুরবানী না দিলে সম্মান থাকে না তাই আমাদের সমাজে মুসলীম সমাজে কুরবানী দেওয়া প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে।কুরবানী নিয়ে কত আলোচনা,কত স্ট্যাটাস অথচ ফরজ বিধান যাকাত বিষয়ে সবাই চুপ।আর যাহারা শাড়ি বিলিয়ে যাকাতের নামে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন তাদের মনে রাখা উচিত যে টাকা দিয়ে আপনি শাড়ি/লুঙ্গি কিনছেন সেই টাকাটা আপনার না।
আপনি কেন শাড়ি/লুঙ্গি কিনে দিবেন?
যার টাকা তাকে দিন তার যা প্রয়োজন সে তা কিনে নিবে।
সবাই যদি যাকাত আদায় করে দেয় সমাজ পাল্টাতে একমাস সময় লাগবে বলে মনে হয় না।
বংশের ৫০ জন নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক এমন আত্নীয়রা মিলে দুজন যাকাতের হকদার আত্নীয়কে টেনে না তুলতে পারলে এমন আত্নীয় হয়ে লাভ কি?
একটু চিন্তা করে দেখুন তো শেষ দশ বছর ধরে আপনি নিয়মিত কুরবানী দিচ্ছেন,প্রতি রমজানে ফিতরাও দিয়ে দিচ্ছেন কিন্তু, এ সময়ে কতবার সঠিক ভাবে যাকাত আদায় করেছেন?
এমন উদাসীন ঈমান দিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো যাবে কি?
আল্লাহর দেয়া ফরয বিধান যাকাত তার হকদারের কাছে পৌছে দিন, একজন মামুষকেও সেহরী না খেয়ে রোজা রাখতে হবে না ইনশাআল্লাহ।