মানসিক স্বাস্থ্য
3 years ago By Mst. Luvna Akter 

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতারও রয়েছে অপরিহার্যতা। বলা যায়, শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক সুস্থতা পরস্পর পরিপূরক। বর্তমান যুগে শিশুরা এতোটাই যন্ত্রনির্ভর হয়ে উঠেছে যে তারা প্রকৃতির কাছে থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। বিকেলে খেলার মাঠে যে ছেলেটাকে ফুটবলের সাথে দেখার কথা, সে হয়তো মোবাইলের গেমসে ডুবে রয়েছে। যার ফলে ছেলেমেয়েরা  প্রাকৃতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তির যুগে একথা অস্বীকার করা যাবে না, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে প্রযুক্তির ব্যবহারের বিকল্প নেই।  তবে একথাও মানতে হবে, চিকিৎসকরা বার বার বিশেষ করে শিশুদের প্রযুক্তির অপব্যবহার সম্পর্কে সতর্কবাণী দিয়ে আসছে। কোনোকিছুর প্রতি মাত্রারিক্ত আকর্ষণ নেশার মতো কাজ করে। আর  তখনই মানসিক সুস্থতার ব্যঘাত ঘটে। মানসিক সুস্থতার জন্য প্রকৃতির সাথে সময় কাটানো, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া, বিকেলে হাঁটতে বের হওয়া,খেলা-ধুলা করা, পরিবারের সদস্যদের সাথে বসে কোন বিষয়ে আলোচনা বা তাদের সময় দেওয়া, সামজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ইত্যাদি সাহায্য করে।


ব্যস্ততম দিনটিতে নিজেকে একটু সময় দেওয়া, নিজের শখগুলোকে গুরুত্ব দেওয়াসহ প্রকৃতির সাথে সময় কাটানোর মাধ্যমে মানসিক শান্তি লাভ করা যায়। আপনি হয়তো দিনের পর দিন নিজের কাজে ব্যস্ত থাকছেন,  এতে করে একঘেয়েমিতা চলে আসতে পারে বা কাজে মনোযোগ নষ্ট হতে পারে। কাজের ফাঁকে সময় বের করে আপনার প্রিয় বারান্দার গাছগুলোর যত্ন নেন বা আপনার শখের আঁকা-আঁকির খাতা নিয়ে বসে পড়ুন অথবা নিজের পরিবারের মানুষগুলোর সাথে কথা বলুন, দেখবেন আগের মতোই কাজের প্রতি মনোযোগ এসেছে। মোটকথা, মানসিক শান্তির জন্য আপনার ছোট ছোট প্রিয় শখগুলোই পূরণ করাই যথেষ্ট।

Sign in to comment
এই বিভাগের আরো পোস্ট