পদ্মাসেতু! নিঃসন্দেহে স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্যের নাম। এটি দেশের আপামর সাধারণের বিশ্বাস,আশ্বাস ও মর্যাদার নাম। পদ্মানদী পৃথিবীর খরস্রোতা নদীগুলোর মধ্যে একটি। এই পদ্মানদীতে সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করাও এতোটা সহজসাধ্য ব্যাপার ছিলো না। অনেক কাঠ-গড় পুড়িয়ে তারপর এই সেতু নির্মাণ সম্ভবপর হয়েছে। ৬.১৫ দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট এবং ১৮.১০ প্রস্থবিশিষ্ট মাওয়া-জাজিরাকে সংযোগকৃত এই সেতুটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় সেতু। এই সেতুটি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণের জায়গা রাখে একটি স্থানে। আর তা হলো - পদ্মাসেতু আমাদের মর্যাদার প্রতিবিম্ব। বাংলাদেশ যে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে, তার স্থির জলচিত্র। শত বাধা-বিপত্তিকে পাশ কাটিয়ে স্হাপিত হওয়া এ পদ্মাসেতু আমার দেশের জন্য গর্ব। এই সেতুর মাধ্যমে নতুন যুগের শুরু হলো বাংলাদেশে। দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ টি জেলার সড়কপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম বলে বিবেচিত হলো। এই পদ্মাসেতু নিঃসন্দেহে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন বয়ে নিয়ে আসবে।