একটা বিষয় খেয়াল করেছেন কি?
সময়ের আবর্তে মসজিদের চাকচিক্য বেড়েছে বহুগুণে। কিন্তু মসজিদ এখন ততক্ষন পর্যন্ত মসজিদ, যতক্ষণ নামাজের ওয়াক্ত থাকে।
অথচ বিশেষ করে মসজিদ কেন্দ্রিক ওযুখানা প্রতিষ্ঠা, অসহায় মানুষের বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ এমনকি মুসাফিরদের অন্তত ঘুমিয়ে একটা রাত পার করার সুযোগ ইসলাম ধর্মকে বিশেষত্ব দান করেছিল।
মানুষ পেট ফেটে মরে গেলেও প্রস্রাব কিংবা টয়লেট করার কাজে বেশিরভাগ আলিশান মসজিদের ওয়াশরুম আর ব্যবহার করতে পারে না এখন।
এই আলিশান মসজিদগুলোতে মসজিদ ভিত্তিক শিক্ষা মক্তব বন্ধ হয়েছে অনেক আগেই।
একজন মানুষ ক্লান্ত শরীরে মসজিদের ওযুখানায় গিয়ে এখন আর চোখে মুখে পানি দিতে পারে না। গণমানুষের সঙ্গে তৈরি হয়ে গেছে মসজিদের দূরত্ব।
একজন মুসাফির যার জন্য আল্লাহ সুবহানা তায়ালা নামাজকে সহজ করে কছর পরার বিধান করল, সেই মুসাফির যদি মসজিদের গেটে লাগানো তালার কারনে মসজিদ থেকে ফিরে আসে তাহলে মসজিদ আর গনমানুষের রইল কই?
সময় এসেছে রাস্তার পাশে মসজিদের জন্য রাখা দানবাক্সে বাধ্যতামূলকভাবে লিখে দেওয়ার যে যাহারা ওয়াক্তমত মসজিদে আসবেন শুধুমাত্র তাহারাই দান করবেন নচেৎ গনমানুষের টাকায় মসজিদে এসি লাগিয়ে ওয়াক্তের পরে মসজিদের গেটে তালা লাগানো ভন্ডামীর এখনই বিনাশ হওয়া জরুরী।