এদেশের একমাত্র পেশা যাদের বিপক্ষে কেউ কখনো ঘুষের অভিযোগ তুলেন নি।
ইদ,পূজা,পার্বণ কিংবা যে কোন স্পেশাল অকেইশনে যখন মানুষ একটু পরিবারকে সময় দেওয়ার চিন্তা করে সে সময়ও ফোন দেয়া মাত্র জীবন বাজী রেখে সার্ভিস দিয়ে যায় এ ভাইগুলো।
সূত্রমতে অধিকাংশ ফায়ার সার্ভিস কর্মী শেষ বয়সে হার্টের অসুখে পড়ে।
ফায়ার এলার্ম বাজার তিরিশ সেকেন্ডে গাড়িতে উঠে জনগনের উপকারে দৌড় দেওয়া এই মানুষগুলো অন্য ফোর্সের মত মূল্যায়িত নন বরং প্রাপ্ত সম্মান থেকেও বঞ্চিত।
উদ্ধার কাজে পান থেকে চুন খসলেই তাদের পিন্ডি চটকানো শুরু হয় কিন্তু অপরিকল্পিত নির্মাণ নিয়ে কাউকে কিছু বলতে শোনা যায়না।
আপনি জানেন কি ভূমিকম্পে সম্ভাব্য ক্ষতির তালিকায় ঢাকা পৃথিবীর দ্বিতীয় শহর অথচ দুই কোটি মানুষের এই শহরে ফায়ার স্টেশন ১৪ টি।
২০ কোটি মানুষের দেশে পানিতে ডুবে উদ্ধারকার্যে অংশগ্রহণ করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী মাত্র ২৫ জন।
ইকুয়েপমেন্ট স্বল্পতা,জনবল স্বল্পতা,অপরিকল্পিত নির্মাণ, সরু গলি, তথ্য লুকানো অথবা উদ্ধার কাজে কৃত্রিম জটলা তৈরী করা কে পাশ কাটিয়ে নিরন্তর চেষ্টা করে যাওয়া এই মানুষগুলোর অভিযোগের জায়গা কোথায়?
বিপক্ষে আঙ্গুল তোলার আগে আরেকবার ভাবুন প্লিজ!